যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

গত এক সপ্তাহে সবজিতে স্বস্তি, দাম বেড়েছে মুরগির

গত এক সপ্তাহে সবজিতে স্বস্তি, দাম বেড়েছে মুরগির

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

দেশের নানা জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সবজির বাজারে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। কাঁচা মরিচ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে ডাল, আটা ও মুরগির দাম বেড়েছে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর বাজার, আজমপুর কাঁচাবাজার, আশকোনা বাজার, মালিবাগ বাজার, রামপুরা বাজার ও কারওয়ান বাজারসহ মিরপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০-৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকেন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহের দামে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। বাজারে আগের দামেই প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম ৫ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আশকোনা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া জানান, বাজারে ভোজ্যতেল আগের কেনা দামে বিক্রি করছি। আমরা এখনো লিটার বিক্রি করছি ১৫০ টাকা। দু-একদিনের মধ্যেই ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ৭ টাকা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। নতুন তেল বাজারে ঢুকলে বাড়তি দামে বিক্রি হতে শুরু হবে।

এসব বাজারে কেজিপ্রতি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আটার দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়।

এদিকে বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।

মুরগির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৩৫ টাকা।

কারওয়ান বাজারের মুরগি বিক্রেতা হাফিজ মিয়া বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা কম। ক্রেতারা মুরগি কম কিনছেন। তবুও বেড়েছে মুরগির দাম। খামারিদের সিন্ডিকেটের কারণেই মূলত মুরগির দাম বেড়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com